Monday, August 15, 2016

সিএনজি স্কুটারের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাদ্রাসা ছাত্রসহ আহত ৫

জেলা আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন জেলা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শোয়েব। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। এ সময় শোয়েব মন্ত্রীর দৃষ্টি কামনা করে বলেন, চাঁদপুরে অনেক রেজিস্ট্রিবিহীন মোটর সাইকেল, অটো, নসিমন ও সিএনজি স্কুটার চলাচল করছে। তাদের কোনটারই কোনো কাগজপত্র নেই। এরই প্রেক্ষিতে জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুক্রবার বিকেলে নতুনবাজার-পুুরাণবাজার সেতু সংলগ্ন পুরাণবাজার এলাকায় নম্বরবিহীন সিএনজি স্কুটার ও মোটর সাইকেলের উপর অভিযান চালানো হয়। সরজমিনে অনেক মোটর সাইকেল পুলিশ ধরলেও মডেল থানায় ওই অভিয়ানের অনেক গাড়ি জমা হয়নি। শুক্রবার বিকেলে অভিযানের নেতৃত্ব দেন মডেল থানার এসআই আবুল কাশেম ও আনোয়ার হোসেন। বিকেল ৫টার সময় হাইমচর থেকে দুটি সিএনজি স্কুটার যাত্রী নিয়ে চাঁদপুরে আসে। ব্রিজের গোড়ায় পুলিশের অভিযান দেখে ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে পালাতে চাইলে দুটি সিএনজি স্কুটার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় হাইমচর থেকে আসা সিএনজি স্কুটারে যাত্রী ছিলো দোকানঘর মিজি বাড়ির মাদ্রাসার ছাত্র মিরাজ (১৪), গুয়াখোলার শাহানা (২৫), হাইমচরের কালাম (৩০) সহ ক'জন যাত্রী। অপর সিএনজি স্কুটারটি পালাতে চাইলে ধাক্কা খেয়ে ঢাকায় পড়ুয়া মাদ্রাসা ছাত্র মিরাজের দুটি পা ভেঙ্গে যায় এবং সিএনজি স্কুটারটি দুমঢ়ে-মুচড়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকেসহ অন্যান্য যাত্রীদের স্থানীয় এলাকাবাসী চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকেলে পুরাণবাজার এলাকার কতটি গাড়ি অভিযান করে ধরা হয় সেটি মডেল থানার ওসির জানা ছিল না। গতকাল দুপুরে লক্ষ্মীপুর মডেল ইউপি চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাংসদের প্রতিনিধির সামনে অভিযান পরিচালনাকারী এসআইর উপর অনেকে চড়াও হন। তিনি বলেন, আমি এই থানার ওসি, কোথায় কি হচ্ছে আমাকে জানতে হবে। গাড়িগুলো যে আটক করেছিলো সেগুলো কিসের বিনিময়ে ছাড়লো সেটির হিসেব কোথায়।
( লেখাটি পড়া হয়েছে ২২৩ বার )